সেহরির আগে স্বপ্নদোষ হলে করণীয় কী?
রমজান মাসে রোজা রাখার উদ্দেশ্যে শেষ রাতে পানাহার করাকে ইসলামের পরিভাষায় সেহরি বলা হয়। সেহরি খাওয়া একটি বরকতময় কাজ এবং এটি সুন্নাহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে’ (বুখারি: ১৯২৩)। সেহরি খাওয়ার ফজিলত অনেক বেশি এবং এটি মুসলিমদের রোজার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
অনেক সময় দেখা যায়, সেহরির জন্য ঘুম থেকে ওঠার আগে বা শেষ রাতে কারও স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। এমন অবস্থায় অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন যে, গোসল না করে সেহরি খাওয়া যাবে কি না। বিশেষ করে শীতকাল বা গ্রামে যারা থাকেন, তাদের জন্য শেষ রাতে গোসল করা অনেক সময় কষ্টকর হয়ে পড়ে।
ইসলামী আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদদের মতে, স্বপ্নদোষের ফলে গোসল ফরজ হলেও সেই অবস্থায় সেহরি খেতে কোনো বাধা নেই। গোসল ফরজ থাকা অবস্থায় নামাজ পড়া, কোরআন তেলাওয়াত, কাবা শরিফ তাওয়াফ বা মসজিদে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ হলেও পানাহার করা বা সাধারণ কাজকর্মে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই (বুখারি: ২৭৯)। সুতরাং, যদি সময় কম থাকে বা বিশেষ কোনো অসুবিধা থাকে, তবে অপবিত্র অবস্থায়ও সেহরি খাওয়া জায়েজ।
তবে আলেমগণ একটি বিষয়ে বিশেষ সতর্ক করেছেন। তারা বলেন, কোনো সঙ্গত কারণ ছাড়াই অপবিত্র অবস্থায় এক ওয়াক্ত নামাজের সময় অতিবাহিত করা অত্যন্ত গুনাহের কাজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে বলেছেন, ‘যার নামাজ কাজা হয়ে গেল, যেন তার পরিবার ও সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল’ (মুসনাদে আহমাদ: ২৩৬৪২)। তাই সেহরি খাওয়ার পর ফজরের নামাজের আগেই পবিত্রতা অর্জন করে যথাসময়ে নামাজ আদায় করা বাধ্যতামূলক।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment