চীন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই লিয়াওওয়াং-১ নামের
চীন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই লিয়াওওয়াং-১ নামের এই জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সম্ভাব্য যেকোনো সংঘাতে সামরিক ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা এটিকে “ড্রাগনের চোখ” বলে ডাকেন; এটি শুধু একটি নৌযান নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ নজরদারির ভাসমান গবেষণাগার। এতে এমন ব্যবস্থা রয়েছে যা একসঙ্গে ১২০০টিরও বেশি আকাশ লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও অনুসরণ করতে পারে, এমনকি এফ-৩৫ ও এফ-২২-এর মতো মার্কিন স্টেলথ বিমানও সনাক্ত করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়। এসব ক্ষমতা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি অনেকাংশে আকস্মিক আঘাত ও অদৃশ্য থেকে নিখুঁত বিমান হামলার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু এই জাহাজ যদি আরব সাগর বা ওমান উপসাগরে অবস্থান করে, তবে প্রায় সব আকাশগত তৎপরতা নজরদারির আওতায় আসতে পারে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জাহাজটি যে তথ্য সংগ্রহ করে তা শুধু চীনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে ইরানের এইচকিউ-৯বি মতো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গেও ভাগ করা হতে পারে, ফলে ইরান একটি বৃহৎ ও সমন্বিত নজরদারি নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে উঠতে পারে।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment